
রাউজান পৌরসভা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি, রাউজান উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাবেক আহ্বায়ক এবং রাণীরহাট ডিগ্রি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মোহাম্মদ মূসা (৭৫)আর নেই। তিনি ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক সন্তান রেখে গেছেন। অধ্যাপক মোহাম্মদ মূসা রাউজান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গুরা মিয়া মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা ছিলেন।
অধ্যাপক মোহাম্মদ মূসা ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। শিক্ষকতা ও রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে রাউজানের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
অধ্যাপক মোহাম্মদ মূসার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য জননন্দিত জননেতা আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।
এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ মূসার মৃত্যুতে আমরা একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, সৎ ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারালাম। তাঁর মৃত্যুতে রাউজানের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করুন।
এদিকে অধ্যাপক মোহাম্মদ মূসার মৃত্যুতে আরও গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আবু জাফর চৌধুরী, রাউজান উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল হুদা চেয়ারম্যান, সদস্য সচিব ফিরোজ আহমদ, রাউজান পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনজুরুল হক মঞ্জু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাবের সুলতান কাজল, রাউজান উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাবেক সদস্য সচিব কাজী সরোয়ার খান মনজু, রাউজান উপজেলা যুবদলের সভাপতি এম. শাহজাহান শাহিল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আজম ছোটন, রাউজান পৌরসভা যুবদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী।
তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।







