
ইন্টারন্যাশনাল পার্লামেন্ট ফর সেফ্টি পিস এ- জার্টিস (আইপিএসপিজে) এশিয়ার বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোস্তফা আলম এক বিবৃতিতে বলেছেন-বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করলেও বার বার গণতান্ত্রিক পরিবেশ বাঁধাগ্রস্থ হয়েছে। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের গুম, খুন, দুর্নীতি, মানবাধিকার লংঘন, বাক স্বাধীনতাহরণ, গণমাধ্যমের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের মাধ্যমে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে ৫ আগস্টের পতিত হয়েছে একটি বিশেষ গোষ্ঠী। এই সরকার পাশ্ববর্তী দেশকে সন্তুষ্ট করার জন্য বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে কিছু কিছু রাজনৈতিক দল ভিনদেশের ইন্ধনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ভুলপথে নিয়ে যাওয়ার জন্য অপচেষ্টা করছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই এদেশের ইভিএম’র মাধ্যমে যে ডিজিটাল কারচুপি হয়েছিল তা থেকে আমরা ৫ আগস্টের পর রক্ষা পেয়েছি। কিন্তু বর্তমানে কিছু রাজনৈতিক দল পিআর পদ্ধতির নামে আরেক সংস্কৃতি চালু করার যে পাঁয়তারা করছে তাতে লাভবান হবে যারা সাড়ে পনের বছর বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করে রেখেছিল তারাই। কাজেই বাংলাদেশের সকল অতীতের অপকর্ম যথাক্রমে বিডিআর বিদ্রোহের সেনা কর্মকর্তা নিহতের বিচার, ৫ মে শাপলা চত্বরে ওলামা মাশায়েখদের গণহত্যার বিচার, সাংবাদিক সাগর রুনি হত্যার বিচার, নারায়নগঞ্জের সাত খুন হত্যার বিচার, বিগত সাড়ে পনের বছরের গুম খুনের বিচার, ২০১৪-২০১৮-২০২৪’র জাতীয় নির্বাচনের বৃহত্তর কারচুপির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের বিচার এবং ৫ জুলাই আগস্টের গণহত্যার বিচারের রায় ১৫ নভেম্বর ২০২৫ সালের মধ্যে কার্যকর করার আহ্বান জানান এবং সেই সাথে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক পরিবেশের দ্রুত আশা অত্যন্ত জরুরী। তাই বাংলাদেশে বিচার, সংস্কার ও মানবাধিকার রক্ষায় দ্রুত গণতান্ত্রিক সরকার দরকার। অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস ২০২৬ইং সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা মেনে প্রত্যেক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল যারা বাংলাদেশে ৭১’র স্বাধীনতাকে, ৯০’র গণআন্দোলনকে এবং ২০২৪’র জুলাই বিপ্লব আন্দোলনকে অন্তরে লালন এবং ধারণ করেন তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষায় নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করার আহ্বান জানান।