এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গণতন্ত্রের মা,মহিয়শী নারী দেশের জন্য একটি বড় জিনিস রেখে গেছেন,সেটি হচ্ছে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব। তিনি আমাদেরকে সোহার্দ দেশপ্রেম শিখিয়েছেন।স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড় করিয়েছেন। আমাদেরকে সাহস শিখিয়েছেন।
আমরা বারবার জেলে গিয়েছি নির্যাতিত হয়েছি কিন্তু সাহস হারাইনি।এটি উনার কাছ থেকে শিখেছি। দেশনেত্রী বেগম জিয়া স্বার্থের জন্য কোন আপোষ করেননি, গণতন্ত্রের জন্য কোন আপোষ করেননি। আধিপত্যকারীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। জীবনের বেশিরভাগ সময় উনি দেশের মানুষের জন্য, ভোটাধিকারের জন্য,মানবাধিকারের জন্য,আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন। জেলে গেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন কিন্তু আপোষ করেননি।উনি যদি সেদিন সমঝোতা করতেন আমাদের এই সাহস হতো না। তিনি আজ বিকেলে ৩০ নং ওয়ার্ড পূর্ব মাদারবাড়ি বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি আরো বলেন, যারা দেশ বিক্রি করে দিয়েছেন, দুর্নীতি করেছেন নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য রাজনীতি করেছেন তারা কিন্তু এখন কেউ রাজনীতিতে নাই। এরশাদের সাথে অনেকে সমঝোতা করে নির্বাচনে গিয়েছেন,১/১১ সরকারের সাথে অনেকে সমঝোতা করেছেন, কিন্তু বেগম জিয়া সমঝোতা করেননি, বিএনপি সমঝোতা করেনি। তাই বিএনপি আজকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল, যে দল আপনাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। জনাব খসরু আরো বলেন, তারেক রহমান সাহেব দেখিয়ে দিয়েছেন,তিনি কিন্তু বাসে করে গিয়েছেন হাত নেড়েছেন, জিপে করে হাত নারাননি। সিঙ্গনাল লাইটে গাড়িকে দাঁড় করিয়েছেন, ড্রাইভারকে বলেছেন এখানে দাঁড়াও,সবাই দাঁড়াচ্ছে আমি কেন দাঁড়াবো না। এই যে নতুন চিন্তা নতুন রাজনীতি। আমি ক্ষমতাবান এই চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, জনসাধারণের যেটা সুবিধা সেটা করতে হবে। ক্ষমতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে,দেশের মানুষ একমাত্র ক্ষমতার মালিক।
এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম,শওকত আজম খাজা, শিহাবুদ্দিন মুবিন, মনজুর আলম, মহানগর বিএনপির সদস্য এডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া,মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মশিউল আলম স্বপন, মহানগর ছাত্রদল আহ্বায়ক সাইফুল আলম,বিএনপি নেতা কাউসার হোসেন বাবু, আজিজুল ইসলাম বাদল,তসলিম উদ্দিন সহ প্রমুখ।







