
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণ যে দেশ দেখতে চায়, সেইভাবে দেশ চালাতে কাজ করবে সরকার।
শনিবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যে দেশ দেখতে চান, সে দেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করবে। শনিবার (২১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঈদ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক। বহুবছর পর দেশের মাটিতে ঈদ উৎসব পালন করতে পেরে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায়।
তিনি বলেন, দেশের নাগরিক হিসেবে আল্লাহর কাছে দোয়া করি, দেশের মানুষ যেভাবে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করছে, আগামীতেও আরও বেশি শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপন করতে সক্ষম হব, সেই প্রত্যাশা। দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঈদ সেই প্রত্যাশা পূরণের প্রত্যয়। আল্লাহর কাছে রহমত প্রার্থনা করি। সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ থাকবে তাদের সহযোগিতা থাকলে নির্বাচিত সরকার আপনাদের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনের কাজে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাবে। দলমত নির্বিশেষে সবাই ভালো থাকবেন।
এসময় প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের। ২৪ ছাত্রজনতার আন্দোলনে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
এদিন পবিত্র ঈদুল ফিতরের সালাত আদায় শেষে কূটনীতিক ও শিক্ষাবিদসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। যমুনায় সকাল ১০টায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে ভোর থেকেই মানুষের ঢল নামে।
এর আগে সকাল সাড়ে আটটা থেকে সর্বসাধারণের জন্য যমুনা প্রাঙ্গণের প্রবেশপথ উন্মুক্ত করা হলে মুহূর্তেই ভিড় বাড়তে থেকে সেখানে। সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সেখানে জড়ো হন।
এক পর্যায়ে সেই জনস্রোত বিস্তৃত হয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে পুরো এলাকাজুড়ে।








