
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে মাসদার হোসেন মামলার উদাহরণ দেওয়া হয়। তবে মাসদার হোসেনদের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত বিচার বিভাগ গড়ে তুলতে চাই না। বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই।
শুক্রবার দুপুরে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত ভবনের দ্বার উন্মোচন শেষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে মন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই সনদ, মানবাধিকার কমিশন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগীয় সচিবালয় আইন নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তবে সরকার প্রতিটি বিষয় যাচাই-বাছাই করে সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, বিএনপি যদিও জুলাই সনদ নিয়ে আপত্তি করছে, তবে তারা রাজনৈতিকভাবে এর চেতনাকে ধারণ করে।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ১৯৭৩ সালের পর থেকে রাষ্ট্রপতির এ ধরনের আদেশ জারির সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই, তাই জুলাই সনদ আদেশের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ গভীর অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাবে। রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি যদি আবার ফিরে আসে এবং আমরা লক্ষ্যচ্যুত হই, তাহলে আগামী প্রজন্মের সামনে একটি অন্ধকার ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করবে, যা আমরা কোনোভাবেই চাই না।
সভা শুরুর আগে মন্ত্রী যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন। এছাড়া বারের ভবন ও লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, জেলা জজ মাহমুদা খানম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।







