
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বলেছেন, খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সচেতন জাতি গঠন করা সম্ভব। তাই সরকার খেলাধুলাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার ইতোমধ্যে ১২৯ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ডের আওতায় এনেছে। সারাদেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। একইসঙ্গে চতুর্থ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আটটি ইভেন্টে খেলাধুলাকে শ্রেণিকক্ষে বাধ্যতামূলক করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যেখানে অন্যান্য বিষয়ের মতো খেলাধুলাতেও মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকবে।
রবিবার রাতে নগরীর চান্দঁগাওয়ে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি-পিআরইউ আয়োজিত পিআরইউ-ওয়াসিম আকরাম ফুটবল ফেস্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। খেলায় ৮-২ গোলে চ্যাম্পিয়ন হয় মীর মুগ্ধ টিম ও আবু সাঈদ টিম। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল রেফারী শরীফুজ্জামান ও ইফতেখার হোসেনের পরিচালনায় খেলায় সেরা গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন কালেরকণ্ঠের মো. সাকিব ও সেরা গোলকিপার নির্বাচিত হন মো. সাব্বির।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি-পিআরইউ আহবায়ক ও দৈনিক দিনকালের ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ জীবন গড়ে তোলা সম্ভব। খেলাধুলার প্রতি আমাদের কিশোরদের আগ্রহী করে তুলতে পারলে তাহলে কিশোর গ্যাং অপরাধপ্রবণতা কমে আসবে। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত রাখতে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও সুস্থ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ফুটবল ও ক্রিকেটের পাশাপাশি আমাদের দেশীয় বিভিন্ন খেলা যেমন, কাবাডি, দাবা, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, সাঁতারসহ আরো অনেক খেলা আছে, তাতেও আমাদের পারদর্শী হতে হবে। এতে করে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিকশিত হবে।
পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি-পিআরইউ সদস্য সচিব ইমরান এমির সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি-পিআরইউ আহবায়ক ও দৈনিক দিনকালের ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, যুগ্ম আহবায়ক দৈনিক পূর্বকোণের সিনিয়র রিপোর্টার নাজিম উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সাজ্জাদাত হোসেন, জাহেদ কায়সার, গ্লোবার টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান রকিবুল আলম, মেহেরাজ বিন আলম প্রমুখ।







