চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের সাথে সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময়

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের সাথে সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময়

চট্টগ্রাম ব্যুরো: পাহাড়তলীস্থ চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি) এর সাথে চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময় সভা শুক্রবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে আয়োজিত সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাাখেন চক্ষু হাসপাতালের উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাষ্টি আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাষ্টি মো. জাহাঙ্গীর আলম খান। আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানীর পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ছানি রোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন।
বক্তব্য রাখেন, কার্যকরী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ফাহমিদা, মো. মামুন প্রমূখ। ম্যানেজিং ট্রাষ্টি মো. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাতা আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এমন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন যা বাংলাদেশ নয় দক্ষিণ এশিয়ায় আছে বলে মনে হয়না। তিনি এ প্রতিষ্ঠানটি যাতে সুরক্ষিত থাকে সে জন্য সাঈদ আল নোমানকে লক্ষ্য রাখার আহবান জানান।
সভায় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তার আত্মজীবনী ‘প্লেজার অ্যান্ড পেইন’’ নামক গ্রন্থটি সাঈদ আল নোমানের হাতে তুলে দেন। এ সময় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন সাঈদ আল নোমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নিজের জীবন, পরিবার, চিন্তা-ভাবনা এবং সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার যে দুঃসাহস দেখিয়েছে সেজন্য তিনি তার এই সাহসকে শ্রদ্ধা করেন। এমন দুঃসাহস জন্য আমরা গর্বিত।
তিনি বলেন, এমন শিক্ষিত, নন্দিত ব্যক্তি রাজনীতিতে আসার খুব কম নজির রয়েছে। তিনি তাঁর আরো সফলতা কামনা করেন।
সাঈদ আল নোমান বলেন, মানবতার কন্যানে মানুষকে ভাালোবেসে আমার অভিভাবক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে এই ৫৪ বছরে অনেক জঞ্জাল, সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমরা যদি আমাদের সামষ্টিক শক্তি ধরে রাখতে পারি তাহলে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারবো।
চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সক্ষমতা বর্তমানে খুবই সীমিত। এটিকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের ঘাটতি প্রকট। খুলশীতে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই। ফলে চিকিৎসাসেবাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে। বড় পরিসরে সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই খাতে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email