‘আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে, বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে’ — মেয়র ডা. শাহাদাত

‘আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে, বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে’ — মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বাকলিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আজকের কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামীর গর্বিত বাংলাদেশ। নিজেদের মেধা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে গেলে বাংলাদেশও একদিন বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

মঙ্গলবার বাকলিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আবু সুফিয়ান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা।

মেয়র বলেন, একটি সুন্দর শহর কিংবা একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তোলা কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই একটি ক্লিন, গ্রিন, হেলদি অ্যান্ড সেফ সিটি গড়ে তোলা সম্ভব। একইভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনের কাজে এগিয়ে এলে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে আরও মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, আজ আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তারকা খেলোয়াড়দের নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করি। তবে আমি বিশ্বাস করি, একদিন বাংলাদেশও এমন বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করবে, যাদের নিয়ে গোটা জাতি গর্ব করবে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব আজকের শিক্ষার্থীদেরই নিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মেয়র আরও বলেন, জীবনে বড় হওয়ার জন্য আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম ও শৃঙ্খলার কোনো বিকল্প নেই। তোমরা নিজেদের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্ব জয় করার সক্ষমতা অর্জন করবে—এই প্রত্যাশাই আমাদের।

অনুষ্ঠানের সুশৃঙ্খল আয়োজনের প্রশংসা করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এত সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাবোধ ও অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে তাদের নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email