নিউ ইয়র্কের কারাগার থেকে সস্ত্রীক ম্যানহাটনের আদালতে মাদুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ ইয়র্কের কারাগার থেকে সস্ত্রীক ম্যানহাটনের আদালতে মাদুরো

ভেনেজুয়েলার অপহৃত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিন মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার থেকে কঠোর নিরাপত্তায় ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার স্থানীয় সময় দুপুরে তাঁদের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জজ অ্যালভিন কে. হেলেরস্টেইনের সামনে হাজির করার কথা রয়েছে।

নারকো-টেররিজম বা মাদক সন্ত্রাসের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা মামলাটির আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে এই হাজিরার মাধ্যমে। মার্কিন প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, মাদুরো ব্যক্তিগতভাবে একটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক মাদক পাচার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে হাজার হাজার টন কোকেন সরবরাহ করে আসছিল। গত শনিবার একটি নতুন চার্জশিট উন্মোচন করা হয়েছে, যেখানে মাদক পাচার ছাড়াও মেশিনগান রাখা এবং ষড়যন্ত্রের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁদের কয়েক দশক থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

গত শনিবার মধ্যরাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে মার্কিন বিশেষ বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ এক ঝটিকা সামরিক অভিযান চালায়। সুরক্ষিত সামরিক ঘাঁটি ফোর্ট তিউনা থেকে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করে সরাসরি বিমানে করে নিউইয়র্কে উড়িয়ে আনা হয়। ১৯৮৯ সালে পানামার নেতা ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ল্যাটিন আমেরিকায় এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ।

মাদুরোর অনুপস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই তাঁকে সতর্ক করে বলেছেন যে, রদ্রিগেজ যদি মার্কিন স্বার্থের পরিপন্থী কোনো সিদ্ধান্ত নেন, তবে তাঁকে মাদুরোর চেয়েও বড় মূল্য দিতে হবে। এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং সমর্থনে নিউইয়র্কের রাস্তায় বিক্ষোভ ও উল্লাস উভয়ই দেখা গেছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email