৫ দিন পর চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু, গন্তব্যে পর্যটক এক্সপ্রেস

৫ দিন পর চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু, গন্তব্যে পর্যটক এক্সপ্রেস

টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হয়েছে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথ। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রেললাইন তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ থাকা এ রুটে রবিবার (১২ জুলাই) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে পর্যটক এক্সপ্রেসের (ট্রেন নং-৮১৬) যাত্রার মধ্য দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এদিন সকালে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সবুক্তগীন নগরীর ষোলশহর স্টেশনে এসে ট্রেন চলাচল কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেললাইন থেকে পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মেরামত ও নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পন্ন করে ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। ফলে কয়েক দিনের অচলাবস্থার অবসান হলো এবং স্বস্তি ফিরেছে যাত্রীদের মধ্যে।
এসময় তিনি বলেন, গত ৪ জুলাই থেকে চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। এরমধ্যে গত মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর সুন্নিয়া মাদ্রাসা থেকে শমসেরপাড়া পর্যন্ত রেলপথের বিভিন্ন অংশ দেড় থেকে দুই ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে ওই দিন থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা দেন এবং রেলপথটি উচু করার নির্দেশ দেন।
গত ৭ জুলাই টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জানআলীহাট ও ষোলশহর স্টেশনের মধ্যবর্তী শমসেরপাড়া এলাকায় প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন দেড় থেকে দুই ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে ওই অংশে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

সেদিন দুপুরে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস (ট্রেন নং-৮১৬) ষোলশহর–জানআলীহাট সেকশনে আটকা পড়ে। একই সময়ে ফরেস্ট গেইট এলাকায় রেললাইনের ওপর গাছ উপড়ে পড়ায় ট্রেনটির যাত্রা আরও ব্যাহত হয়। প্রায় ১১ ঘণ্টা অপেক্ষার পর মধ্যরাতে ট্রেনটির যাত্রা বাতিল করে রেল কর্তৃপক্ষ।

পরদিন ৮ জুলাই বাংলাদেশ রেলওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর পানি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ সম্পন্ন করা হয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email