
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের চলমান HEAT (Higher Education Acceleration and Transformation) উপ-প্রকল্পের কার্যক্রম মঙ্গলবার (২০ জুলাই ২০২৬) বিকাল ৩টায় পরিদর্শন করেছেন। এসময় তিনি বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি HEAT উপ-প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম, আধুনিকায়নকৃত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, কনফারেন্স রুম এবং অত্যাধুনিক জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং ল্যাব স্থাপনের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। এছাড়া বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রমকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গৃহীত সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি উপ-প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এর সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয় ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, হিট প্রজেক্টের ফলে ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অবকাঠামোগত আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য দারুণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এখন দরকার হচ্ছে একাডেমিক এক্সিলেন্সি এবং গবেষণা। ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ বা প্রয়োগমুখী গবেষণায় জোর দিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিগুলো আমাদের প্রবলেম দিবে আমরা সেটা সমাধান করবো, অপরদিকে আমরা যোগ্য গ্র্যাজুয়েট প্রদান করবো। গবেষণায় মনোযোগী হতে হবে। তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
এসময় জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এম. মাসুদুল আজাদ চৌধুরী, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের শিক্ষকবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে উপ-প্রকল্পের এসপিএম প্রফেসট ড. অলক পাল, এএসপিএম-১ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহ, এএসপিএম-২ প্রফেসর ড. মোঃ আতিকুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপাচার্যকে প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখান।
উল্লেখ্য, HEAT উপ-প্রকল্পের আওতায় ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে বর্তমানে ১৮ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই চালু হয়েছে এবং ১ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন পূর্ণ মাত্রায় চলমান আছে।







