
টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগের চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে আজ রবিবার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে নগরীর ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন মহেষ খাল, বারনীঘাট খাল, হালিশহর থানা রোড ও জেলেপাড়া রোড পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শন শেষে দক্ষিণ কাট্টলী ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন লাকী স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড (৩৪ ইসিবি)-এর ডিরেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামস এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার তাৎক্ষণিক ও সমন্বিতভাবে কাজ করছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনরুদ্ধার, নিয়মিত খনন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সকল দপ্তরকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা এই সমস্যার সমাধান করবো।”
প্রধান বক্তা সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, “দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের পাশে আমরা রয়েছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের জন্য খাল দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত করা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। জনগণের নিরাপত্তা, স্বস্তি ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় তারা জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল সংস্কার, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বিত ও কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।







