
টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা আক্রান্ত এলাকায় এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচী করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে এ বিক্ষোভে তারা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান বরাবরে ৭ দফার স্মারকলিপি প্রদান করেন। দাবিগুলো বিপরীতে কর্তৃপক্ষের অসন্তোষজনক সিদ্ধান্ত জেনে তারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন। এরমধ্যে একদল শিক্ষার্থী স্লোগান দিয়ে বোর্ডের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চালায়। প্রধান ফটক বন্ধ থাকায় ফটকটি খুলে রাস্তায় নিয়ে চলে যায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সামনের এ ঘটনা ঘটে বলে জানান চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জামাল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বন্যা চলাকালে পরীক্ষা স্থগিত না করার নিয়ে ক্ষুদ্ধ। তাই তারা আন্দোলন করছে। তাদের সঙ্গে শিক্ষাবোর্ডের দায়িত্বশীল ও পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কথাও হয়েছে। বোর্ড থেকে তাদের স্মারকলিপি দিতে বলে। এবং তাদের জানানো হয়, বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের দাবির বিষয়ে আন্তরিক। কিন্তু পরে তারা কি জেনেছে বা কি হয়েছে জানি না। হঠাৎ বিকেলে ছাত্ররা বেপরোয়া আচরণ করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে বোর্ডের মূল গেট খুলে নিয়ে যায়। তারা ন্যায্য বিষয়ে কথা বলতে এসে অন্যায্য করছে।’
এ বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী উমায়েরের সঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করলে তিনি কল কেটে দেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাদের সঙ্গে মিটিং করেছেন। তাদের দাবি পেশ করেছেন। আমরা তাদের দাবির বিষয়ে আলোচনা করেছি। হঠাৎ কিছু বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী বোর্ডের প্রধান ফটক নিয়ে টানাটানি করে। একপর্যায়ে তারা গেইট খুলে নিয়ে যায়।’
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে নগরের মুরাদপুরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। পরে তারা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।







